

আজকাল বাংলা ডেস্ক।।
অনলাইন ও অফলাইনের আধুনিক যোগাযোগের আড়ালে দেশে আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে মাদক ক্রয়-বিক্রয় ও সেবনের হার। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO)-এর তথ্যমতে, বিশ্বব্যাপী কোটি কোটি মানুষ মাদকজনিত জটিলতায় ভুগছেন। এই মরণব্যাধির বিস্তার রোধে এখনই কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা জরুরি।
বর্তমান চিত্র ও ক্ষতিকর প্রভাব
সহজলভ্যতা: শহর থেকে গ্রাম—সবখানেই ইয়াবা, হেরোইন, আইস ও গাঁজা এখন সহজেই মিলছে।
শারীরিক ক্ষতি: লিভার সিরোসিস, মানসিক ভারসাম্যহীনতা এবং হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ছে।
অপরাধ বৃদ্ধি: মাদকের টাকা জোগাতে সেবীরা চুরি, ছিনতাই ও খুনের মতো অপরাধে জড়োহচ্ছে।
পারিবারিক বিপর্যয়: আসক্তদের কারণে পরিবারগুলোতে চরম অর্থনৈতিক ও মানসিক অশান্তি নেমে আসছে।
প্রতিরোধে ৫টি জরুরি করণীয়
১. আইনের কঠোর প্রয়োগ: মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর আওতায় জিরো টলারেন্স নীতিতে নিয়মিত অভিযান চালাতে হবে।
২. সাইবার নজরদারি: অনলাইনভিত্তিক ও হোম ডেলিভারি মাদক সিন্ডিকেটগুলো ভাঙতে ডিজিটাল নজরদারি বাড়াতে হবে।
৩. পারিবারিক সচেতনতা: সন্তানদের বন্ধু নির্বাচন ও চলাফেরার ওপর অভিভাবকদের কড়া নজর রাখতে হবে।
৪. সামাজিক বয়কট: এলাকাভিত্তিক কমিটি গঠন করে মাদক কারবারিদের সামাজিকভাবে বয়কট করতে হবে।
৫. চিকিৎসা ও পুনর্বাসন: আসক্তদের অপরাধী না ভেবে সঠিক চিকিৎসার মাধ্যমে স্বাভাবিক জীবনে ফেরাতে হবে।
শেষ কথা: তরুণ প্রজন্ম দেশের মূল চালিকাশক্তি। ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে রক্ষা করতে প্রশাসন, গণমাধ্যম ও পরিবারকে এখনই ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে।
