

ইসলাম ডেস্ক:
সৌদি আরবের মুসলমানরা বিভিন্ন অনুষ্ঠানে বাদ্যযন্ত্র ব্যবহার করে থাকেন। তবে এর ধরন এবং ব্যবহারের ক্ষেত্র ধর্মীয় এবং সামাজিক রীতিনীতির ওপর নির্ভর করে।
বিয়ে বা বিভিন্ন লোকজ উৎসবে সৌদি আরবের মুসলমানরা ঐতিহ্যবাহী বাদ্যযন্ত্র ব্যবহার করেন। বিশেষ করে দফ (এক ধরণের ডাফ বা খঞ্জনি) ব্যবহারের দীর্ঘদিনের প্রচলন রয়েছে, যা অনেক ওলামাদের মতে এসব আনন্দঘন মুহূর্তে অনুমোদিত।
সৌদি আরবের একটি বিখ্যাত জাতীয় ঐতিহ্যবাহী (আরদাহ নৃত্য) এটি যুদ্ধ-নৃত্য, যেখানে তলোয়ারের পাশাপাশি বড় ঢোল এবং ড্রাম ব্যবহার করা হয়। এটি জাতীয় দিবস বা বড় সামাজিক অনুষ্ঠানে রাজকীয়ভাবে পরিবেশন করা হয়।
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সৌদি আরবে ব্যাপক সামাজিক সংস্কারের ফলে রাজধানী রিয়াদসহ বড় শহরগুলোতে নিয়মিত সংগীত অনুষ্ঠান ও বড় বড় কনসার্ট আয়োজিত হচ্ছে। এসব অনুষ্ঠানে আধুনিক সব ধরনের বাদ্যযন্ত্র ব্যবহার করা হয় এবং সেখানে সৌদি মুসলিমরা দর্শক হিসেবে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন।
ধর্মীয়ভাবে অনেক সৌদি মুসলিম বাদ্যযন্ত্র ব্যবহারের ক্ষেত্রে কঠোরতা অবলম্বন করেন। অনেক আলেম বাদ্যযন্ত্রকে (বিশেষ করে তারযুক্ত যন্ত্র যেমন গিটার বা বেহালা) ধর্মীয়ভাবে নিষিদ্ধ মনে করেন। তাই ইবাদত বা ধর্মীয় অনুষ্ঠানে সাধারণত কোনো বাদ্যযন্ত্র ব্যবহার করা হয় না। তবে আধুনিক ধারার নাশিদ বা ইসলামি গানে বর্তমানে মৃদু শব্দ বা তালের ব্যবহার দেখা যায়।
আরবের অন্যতম প্রধান এবং জনপ্রিয় বাদ্যযন্ত্র হলো উদ।
এক ধরণের একতন্ত্রী বাদ্যযন্ত্র যা মরুভূমির বেদুইনদের মধ্যে জনপ্রিয় হলোরাবাবা।
বাঁশির মতো একটি যন্ত্র যা পশ্চিম সৌদি আরবের ঐতিহ্যবাহী নৃত্যে ব্যবহৃত হয়ে থাকে তা হলো মিজমার ।
