

আবু তাহের, গাইবান্ধা প্রতিনিধি:
উত্তরবঙ্গের পিছিয়ে পড়া জনপদের মানুষের জীবনমান উন্নয়ন, শিক্ষা বিস্তার এবং সমাজ সংস্কারের ক্ষেত্রে যে কয়েকজন আলোকবর্তিকা হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন, তাঁদের মধ্যে এম আবদুস্ ছালাম ভাই অন্যতম। আজ গণ উন্নয়ন কেন্দ্রের (GUK) প্রতিষ্ঠাতা, উত্তরাঞ্চলের মানবিকতার দিশারী এবং সমাজকে ঢেলে নতুনভাবে গড়ে তোলার কারিগর এই গুণী মানুষটির আজ ১ নভেম্বর তাঁর শুভ জন্মদিন।
যাঁরা জীবনকে নিজের জন্য না ভেবে সমাজ ও মানুষের কল্যাণে উৎসর্গ করেন, এম আবদুস্ ছালাম ভাই তাঁদেরই একজন। উত্তরাঞ্চলের অবহেলিত মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর ব্রত নিয়ে তিনি প্রতিষ্ঠা করেন ‘গণ উন্নয়ন কেন্দ্র (জিইউকে)’।
তাঁর হাত ধরে এই প্রতিষ্ঠানটি আজ কেবল একটি সংস্থাতেই সীমাবদ্ধ নেই; বরং এটি দরিদ্র, বঞ্চিত ও অধিকারহীন মানুষের আশা-ভরসার ঠিকানা হয়ে উঠেছে। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, নারীর ক্ষমতায়ন এবং গ্রামীণ অর্থনীতিতে তাঁর বহুমুখী উদ্যোগ আজ উত্তরাঞ্চলের সমাজচিত্রে এক সুদূরপ্রসারী পরিবর্তন এনেছে।
একজন শিক্ষানুরাগী ও সমাজ সংস্কারক হিসেবে এম আবদুস্ ছালাম সবসময় বিশ্বাস করেন যে, একটি আলোকিত সমাজ গঠনে শিক্ষার বিকল্প নেই। তাই তিনি কেবল প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোগত উন্নয়নেই বিশ্বাসী ছিলেন না, বরং মানুষের ভেতরের মানবিক সত্তাকে জাগিয়ে তুলতে আজীবন কাজ করে গেছেন। তাঁর এই নিরলস সংগ্রাম ও নিঃস্বার্থ ভালোবাসাই তাঁকে উত্তরাঞ্চলের মানুষের কাছে এক অনন্য উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছে।
মানবকল্যাণে নিবেদিত এই মানুষটির জন্মদিনে সাধারণ মানুষ ও শুভানুধ্যায়ীদের হৃদয়ে রয়েছে কেবল গভীর কৃতজ্ঞতা আর ভালোবাসা। জন্মদিনের প্রতিকূলতা বা প্রাপ্তির হিসাব ছাপিয়ে তাঁর এই বিশেষ দিনটিতে শুভাকাঙ্ক্ষীরা মহান রাব্বুল আলামীনের দরবারে বিশেষ প্রার্থনা করছেন।
সকলেই একবাক্যই কামনা করছেন—পরিবার-পরিজন নিয়ে তাঁর দিনটি কাটুক অনাবিল আনন্দ ও হাসিখুশিতে। সৃষ্টিকর্তা তাঁকে সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু দান করুন, যাতে তাঁর এই মানবিক আলোয় উত্তরাঞ্চলের পথ আরও দীর্ঘ সময় ধরে আলোকিত হতে থাকে।
