

এস এম আওলাদ হোসেন, সিনিয়র রিপোর্টার।।
লক্ষ্মীপুর জেলার শ্রেষ্ঠ ১০ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। সবাইকে ছাড়িয়ে শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে ঐতিহ্যবাহী প্রতাপগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়।
(২০১০-২০২৫) এসএসসি পরীক্ষার ফলাফল, পরীক্ষার্থীর সংখ্যা, পাসের হার এবং জিপিএ-৫ (এ+) প্রাপ্ত শিক্ষার্থীর তথ্য বিশ্লেষণ করে লক্ষ্মীপুর জেলার সেরা ১০টি উচ্চ বিদ্যালয়ের এই তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। দীর্ঘ সময়ের ধারাবাহিক ফলাফলের ভিত্তিতে প্রণীত এ তালিকায় শীর্ষস্থান অর্জন করেছে প্রতাপগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়৷
প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ২০১০ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত প্রতাপগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয় ৬,৯০৩ জন শিক্ষার্থী। এর মধ্যে ৬,৮৫৫ জন উত্তীর্ণ হয় এবং জিপিএ-৫ (এ+) অর্জন করে ১,২৬৭ জন।
দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে লক্ষ্মীপুর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়। ২০০৯ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত এ বিদ্যালয় থেকে ৬,০১৯ জন পরীক্ষায় অংশ নিয়ে ৫,৭৬৬ জন উত্তীর্ণ হয়েছে। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১,২১৫ জন শিক্ষার্থী।
তৃতীয় স্থানে রয়েছে রায়পুর মার্চেন্টস একাডেমি। ৫,৪৬৯ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৫,১৩১ জন পাস করেছে এবং ৫৮৭ জন জিপিএ-৫ অর্জন করেছে।
চতুর্থ স্থানে থাকা লক্ষ্মীপুর আদর্শ সামাদ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৫,৯৬০ জন পরীক্ষায় অংশ নিয়ে ৫,৭৪১ জন উত্তীর্ণ হয়েছে। এ বিদ্যালয় থেকে ৯০১ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে। বিদ্যালয়টি জেলার অন্যতম ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হিসেবেও পরিচিত।
পঞ্চম স্থানে রয়েছে রামগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়। ২০১০-২০২৫ সময়ে ৬,৬১২ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৫,৭৯৯ জন পাস করেছে এবং ৫৬৭ জন জিপিএ-৫ অর্জন করেছে।
এছাড়া তালিকার বাকি প্রতিষ্ঠানগুলো হলো-
ষষ্ঠ: দত্তপাড়া রাম রতন বহুমূখী উচ্চ বিদ্যালয়
সপ্তম: লুম্বনগর একাডেমি
অষ্টম: দলটা রহমানিয়া হাই স্কুল
নবম: বিরাহীমপুর উচ্চ বিদ্যালয়
দশম: পৌর শহীদ স্মৃতি একাডেমি।
শিক্ষা সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দীর্ঘ সময়ের ফলাফলের ধারাবাহিকতা, পাসের হার এবং জিপিএ-৫ অর্জনের ভিত্তিতে বিদ্যালয়গুলোর শিক্ষার মান মূল্যায়নে এ ধরনের তালিকা শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের জন্য সহায়ক হতে পারে। তবে বিদ্যালয়ের সামগ্রিক মান নির্ধারণে সহশিক্ষা কার্যক্রম, অবকাঠামো, শিক্ষক-শিক্ষিকার দক্ষতা এবং শিক্ষার পরিবেশও গুরুত্বপূর্ণ বিবেচ্য বিষয়।
প্রতাপগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি আনোয়ার হোসেন (বাচ্চু) জানান, প্রতাপগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয় এই অঞ্চলের গর্ব, শিক্ষার বিস্তারে আলোর দিশারী। প্রধান শিক্ষকের নেতৃত্বে শিক্ষকরা ঐক্যবদ্ধ। শ্রেণীকক্ষে পাঠদান ও শিক্ষার গুণগত মান নিশ্চিত করতে তারা সবসময় আন্তরিক।
পাশাপাশি অভিভাবকদের সাথে যোগাযোগ রক্ষা ও শিক্ষকদের দিক নির্দেশনা ছাত্র-ছাত্রীরা পড়াশোনায় মনোযোগী হওয়ার করনে ভালো ফলাফল করে আসছে।
তবে শিক্ষার্থীদের যাতায়াত সমস্যা সমাধানে তিনি নিজস্ব পরিবহনের ব্যবস্থার গুরুত্ব দেন তিনি।
