ঢাকা
প্রকাশিত : October 14, 2026
আপডেট: October 14, 2026
প্রকাশিত : October 14, 2026

সাঘাটায় অবৈধভাবে বালু উত্তোলন ও মজুদ করে বিক্রির অভিযোগ!

স্টাফ রিপোর্টার, গাইবান্ধা :

সাঘাটায় অবৈধভাবে বালু উত্তোলন ও মজুদ করে বিক্রির অভিযোগ!

স্থানীয় সূত্র জানায়, প্রাক্তন বিডিআর (বর্তমানে বিজিবি) সদস্য আলমগীর হোসেন বছরখানেক আগে সাঘাটার নদী তীরবর্তী এলাকা থেকে অবৈধ ড্রেজার মেশিন বসিয়ে নদী থেকে বালু তুলে মজুদ করেছেন। পরবর্তীতে তা স্থানীয়দের কাছে চড়া দামে বিক্রি করে ইতোমধ্যে লাখ লাখ টাকার মালিক বনে গেছেন। নিজের অপকর্ম ঢাকতে ও প্রভাব খাটাতে তিনি কখনো নিজেকে নদী শাসনের ঠিকাদার, আবার কখনো সাব-ঠিকাদার পরিচয় দিয়ে থাকেন। অভিযোগ উঠেছে, কখনো নিজেকে রাজনৈতিক নেতা আবার কখনো নদী শাসনের ঠিকাদার দাবি করে আলমগীর হোসেন এলাকায় সাধারণ মানুষের মাঝে আতঙ্ক সৃষ্টি করছেন। কেউ প্রতিবাদ করতে গেলে তাকে দাপট দেখানোসহ মামলার ভয়ভীতি প্রদর্শন করা হয়। সম্পূর্ণ অবৈধভাবে নদী থেকে বালু তুলে প্রশাসনের সামনেই তিনি এই কারবার চালিয়ে যাচ্ছেন বলে একাধিক সূত্র জানিয়েছে।

এ বিষয়ে অভিযোগের সত্যতা ও বক্তব্য জানতে আলমগীর হোসেনের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি দাবি করেন, 'এ বালু এক বছর আগে পানি উন্নয়ন বোর্ডের কাজের জন্য উত্তোলন করা হয়েছিল। ব্লক তৈরি ও জিও ব্যাগ ভর্তি করার জন্য। তিনি বলেন বালু তোলার ক্ষেত্রে ডিসি-এসপির অনুমোদন নেওয়া হয়েছে।' এসময় তিনি বালু বিক্রির অভিযোগ অস্বীকার করে জানান, 'এখান থেকে কোনো বালুই বিক্রি করা হচ্ছে না।' একটি মহল আমার সুনামক্ষুন্ন করার জন্য উঠে পড়ে লেগেছে।

তবে তার কাছে বালু উত্তোলনের অনুমোদনের ধরণ সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি জানান, 'এসবে লিখিত অনুমোদন দেয় না তবে ডিসি এসপি অবগত করা হয়েছিল।' তবে সরেজমিনে ঘটনাস্থলে গিয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের সাথে কথা বলে তার দাবির সত্যতা পাওয়া যায়নি। এলাকাবাসীর অনেকেই পরিচয় গোপন রাখার শর্তে জানান, বর্তমানে এ এলাকায় নদী শাসনের কাজ ও ব্লক তৈরির কাজ সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে। নদী থেকে এই বালু তুলে এনে আলমগীর হোসেনই মজুদ করে রেখেছেন। তিনি দিনের বেলায় বালু বিক্রি না করে সুযোগ বুঝে গভীর রাত থেকে ভোরের আলো ফোটার আগেই ‘কাঁকড়া’ গাড়িতে করে লুকিয়ে তা বিক্রি করে দিচ্ছেন।

সাঘাটা উপজেলায় অবৈধভাবে বালু উত্তোলন ও বিক্রি বন্ধে প্রশাসনের পক্ষ থেকে কঠোর নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও কোন রহস্যজনক কারণে তিনি পার পেয়ে যাচ্ছেন-তা নিয়ে স্থানীয়দের মাঝে দেখা দিয়েছে চরম ক্ষোভ ও কৌতূহল। আলমগীর হোসেনের বালু উত্তোলন ও মজুদ বিষয়ে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রতন কুমার দত্ত'র সাথে কথা বলা হলে তিনি জানান, 'বিষয়টি সম্পর্কে তিনি অবগত নন।

এ বালু উত্তোলনে উপজেলা প্রশাসনের কোনো অনুমোদন নেই।' তবে নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন ও বিক্রি পুরোপুরি আইন বহির্ভূত উল্লেখ করে জানান, কেউ যদি সরকারি নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে বালু উত্তোলন, মজুদ কিংবা বিক্রি করে, তবে তার বিরুদ্ধে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে এবং উত্তোলনকৃত বালু জব্দ করা হবে।

সর্বশেষ
প্রকাশক ও সম্পাদক - সিকদার সাদেকুর রহমান
বার্তা সম্পাদক- জাহিদুল হাসান জাহিদ
কার্যালয়ঃ ৪ দারুসসালাম রোড, মিরপুর, ঢাকা।
aazkaalbangla@gmail.com
মোবাইলঃ +8801842280000
আজকাল বাংলা কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। অনুমতি ছাড়া এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি ও বিষয়বস্তু অন্য কোথাও প্রকাশ করা বে-আইনী।
Copyright © 2021-2025 AjkalBangla.Com All Rights Reserved.
Host by
linkedin facebook pinterest youtube rss twitter instagram facebook-blank rss-blank linkedin-blank pinterest youtube twitter instagram