

সৈয়দপুর (নীলফামারী) প্রতিনিধি।।
নীলফামারীর সৈয়দপুরে বাঙ্গালীপুর নিজপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সীমানা প্রাচীর ভাঙ্গচুর ও দপ্তরী কাম প্রহরীকে মারধর করে মুঠোফোন কেড়ে নিয়ে পুকুরে ফেলে দেওয়ার প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছে ওই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ক্ষুদে শিক্ষার্থীরা। এসময় তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানায়। রবিবার (১১ অক্টোবর) বেলা দুপুরে সৈয়দপুর উপজেলা পরিষদ ভবনের সামনে ওই মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করা হয়।
এসময় বিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের পক্ষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বরাবর দেওয়া স্মারকলিপি প্রদান করা হয়। স্মারকলিপিতে মো. রুহুল আমিন (বাবু), মো. আমিন ও মো. আরিফসহ কয়েকজনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।
স্মারকলিপি সূত্রে জানা যায়, গত শুক্রবার (৯ অক্টোবর) সকাল ১০টার দিকে বিদ্যালয়ের সড়ক সংলগ্ন সীমানা প্রাচীর ভাঙ্গচুর করা হয়। এসময় বাঁধা দিতে গেলে বিদ্যালয়ের দপ্তরী কাম প্রহরী মো. গোলাম রব্বানীকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
স্মারকলিপিতে বলা হয়, সীমানা প্রাচীর ভাঙ্গতে বাঁধা দেওয়ায় অভিযুক্তদের একজন গোলাম রব্বানীর মাথায় আঘাত করেন। এতে তিনি মাটিতে পড়ে গেলে তাঁকে আবারও আঘাত করা হয়। একপর্যায়ে তাঁর ব্যবহৃত মুঠোফোন কেড়ে নিয়ে পাশের একটি পুকুরে ফেলে দেওয়া হয়। আহত গোলাম রব্বানী বর্তমানে সৈয়দপুর ১০০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলে স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
এ ঘটনায় বিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে উদ্বেগ ও নিরাপত্তাহীনতা দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে সন্তানদের বিদ্যালয়ে পাঠানো নিয়ে দু:শ্চিন্তায় রয়েছেন অভিভাবকেরা। সীমানা প্রাচীর ভাঙ্গচুর ও বিদ্যালয়ের কর্মচারীকে মারধরের ঘটনায় শিক্ষার স্বাভাবিক পরিবেশ বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কাও প্রকাশ করেছেন তারা।
এ বিষয়ে সৈয়দপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফারাহ ফাতেহা তাকমিলা বলেন, বিদ্যালয়ের সীমানা প্রাচীর ভাঙ্গচুর ও দপ্তরীকে মারধরের অভিযোগের বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
