

মো. নজরুল ইসলাম, মানিকগঞ্জ।।
মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার হাতিপাড়া ইউনিয়নের বরুন্ডি এগ্রোইকোলজি লার্নিং সেন্টারে বারসিকের উদ্যোগে ১৬ সেপ্টেম্বর দুই দিনব্যাপী ‘কৃষি প্রতিবেশবিদ্যা ও জলবায়ু পরিবর্তন ন্যায্যতা’ শীর্ষক প্রশিক্ষণ কর্মশালা সফলভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে। পিপলস লেড এগ্রোইকোলজি ফর ক্লাইমেট চেঞ্জ অ্যাডাপটেশন প্রোগ্রামের আওতায় এই কর্মশালাটি আয়োজিত হয়।
শোভা রাণী রায়ের সভাপতিত্বে এবং বারসিকের সহযোগী সমন্বয়কারী সত্যরঞ্জন সাহার পরিচালনায় কর্মশালায় বক্তব্য রাখেন এগ্রোইকোলজি লার্নিং সেন্টারের পরিচালক গোসাই দাস রায়, কৃষি উদ্যোক্তা শহিদুল ইসলাম, কৃষক মনোয়ারা বেগম ও আয়েশা বেগম, এবং বারসিকের সহযোগী আঞ্চলিক সমন্বয়কারী শিমুল কুমার বিশ্বাস, শিরিন আক্তার ও ময়নাল হক।
আলোচনায় বক্তারা বলেন, মাটি হলো প্রাণ। মাটির স্বাস্থ্য সুরক্ষা করে প্রকৃতি ও কৃষকনির্ভর চাষাবাদ নিশ্চিত করতে হবে। মৌসুমভিত্তিক বিভিন্ন শস্য ও মিশ্র ফসল চাষের মাধ্যমে উৎপাদন খরচ কমানোর পাশাপাশি বীজবৈচিত্র্য সংরক্ষণ করা জরুরি। এগ্রোইকোলজি চর্চার মাধ্যমে কৃষকের হাতে বীজ ও জৈব সার রেখে মাটির ধরন অনুযায়ী স্বাধীন চাষাবাদের পরিবেশ গড়ে তুলতে হবে।
বক্তারা আরও উল্লেখ করেন, আমাদের কৃষি প্রকৃতিনির্ভর। প্রতিকূল আবহাওয়া মোকাবিলায় দেশীয় জাতের বীজ চাষ, বর্ষায় হিজল দিঘা, দিঘা ও ভাউয়্যালা ধান চাষ, এবং বর্ষার আগে পাট চাষ ও জাগ দেওয়ার মতো লোকায়ত জ্ঞান কাজে লাগাতে হবে। নারীদের হাতে দেশীয় বীজ সংরক্ষণ নিরাপদ থাকে এবং বীজ বিনিময়ের মাধ্যমে এর সম্প্রসারণ ঘটে। জলবায়ু পরিবর্তন ও প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় উঁচু ভিটায় লতা জাতীয় শাকসবজি চাষ এবং স্থানীয় জাতের বীজ ব্যবহারের মাধ্যমে পরিবেশের সাথে খাপ খাইয়ে নেওয়া সম্ভব।
মো. নজরুল ইসলাম, মানিকগঞ্জ, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬: মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার হাতিপাড়া ইউনিয়নের বরুন্ডি এগ্রোইকোলজি লার্নিং সেন্টারে বারসিকের উদ্যোগে দুই দিনব্যাপী ‘কৃষি প্রতিবেশবিদ্যা ও জলবায়ু পরিবর্তন ন্যায্যতা’ শীর্ষক প্রশিক্ষণ কর্মশালা সফলভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে। পিপলস লেড এগ্রোইকোলজি ফর ক্লাইমেট চেঞ্জ অ্যাডাপটেশন প্রোগ্রামের আওতায় এই কর্মশালাটি আয়োজিত হয়।
শোভা রাণী রায়ের সভাপতিত্বে এবং বারসিকের সহযোগী সমন্বয়কারী সত্যরঞ্জন সাহার পরিচালনায় কর্মশালায় বক্তব্য রাখেন এগ্রোইকোলজি লার্নিং সেন্টারের পরিচালক গোসাই দাস রায়, কৃষি উদ্যোক্তা শহিদুল ইসলাম, কৃষক মনোয়ারা বেগম ও আয়েশা বেগম, এবং বারসিকের সহযোগী আঞ্চলিক সমন্বয়কারী শিমুল কুমার বিশ্বাস, শিরিন আক্তার ও ময়নাল হক।
আলোচনায় বক্তারা বলেন, মাটি হলো প্রাণ। মাটির স্বাস্থ্য সুরক্ষা করে প্রকৃতি ও কৃষকনির্ভর চাষাবাদ নিশ্চিত করতে হবে। মৌসুমভিত্তিক বিভিন্ন শস্য ও মিশ্র ফসল চাষের মাধ্যমে উৎপাদন খরচ কমানোর পাশাপাশি বীজবৈচিত্র্য সংরক্ষণ করা জরুরি। এগ্রোইকোলজি চর্চার মাধ্যমে কৃষকের হাতে বীজ ও জৈব সার রেখে মাটির ধরন অনুযায়ী স্বাধীন চাষাবাদের পরিবেশ গড়ে তুলতে হবে।
বক্তারা আরও উল্লেখ করেন, আমাদের কৃষি প্রকৃতিনির্ভর। প্রতিকূল আবহাওয়া মোকাবিলায় দেশীয় জাতের বীজ চাষ, বর্ষায় হিজল দিঘা, দিঘা ও ভাউয়্যালা ধান চাষ, এবং বর্ষার আগে পাট চাষ ও জাগ দেওয়ার মতো লোকায়ত জ্ঞান কাজে লাগাতে হবে। নারীদের হাতে দেশীয় বীজ সংরক্ষণ নিরাপদ থাকে এবং বীজ বিনিময়ের মাধ্যমে এর সম্প্রসারণ ঘটে। জলবায়ু পরিবর্তন ও প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় উঁচু ভিটায় লতা জাতীয় শাকসবজি চাষ এবং স্থানীয় জাতের বীজ ব্যবহারের মাধ্যমে পরিবেশের সাথে খাপ খাইয়ে নেওয়া সম্ভব।
প্রশিক্ষণ কর্মশালা শেষে অংশগ্রহণকারীরা কৃষি প্রতিবেশবিদ্যা শিখন কেন্দ্রের বীজ ব্যাংক, ভার্মি কম্পোস্ট, বসতবাড়িতে শাকসবজি ও মসলা চাষ, কৃষক নেতৃত্বে প্রায়োগিক ধান গবেষণা কার্যক্রম, বস্তায় আদা চাষ এবং দেশীয় মুরগি পালন কার্যক্রম পরিদর্শন করেন এবং নিজেদের মধ্যে অভিজ্ঞতা বিনিময় করেন। এ সময় কৃষক উদ্যোগে উৎপাদিত দেশি বীজ থেকে তৈরি লাউ, নলডোগ, কইয়া শিম ও পুষ্টি শিমের চারা বিনিময় করা হয়।
