

আবু তাহের,গাইবান্ধা প্রতিনিধি:
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী গাইবান্ধা সাঘাটা উপজেলার শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন এর নির্বাহী সদস্য মাওলানা শামসুল ইসলাম দুদুর ছোট ছেলে জামায়াতের যুব বিভাগের কর্মী মো. সালাহউদ্দিন (২৭) শনিবার সকাল ৭টা ৪০ মিনিটে ঢাকায় ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নালিল্লাহি………রাজিউন)।
তিনি গত ২১ জুন সাঘাটা উপজেলা যুবদলের সন্ত্রাসী হামলায় আহত হয়ে প্রায় ২ মাস ঢাকা ইবনে সিনা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। মরহুমের জানাযা নামাজ শনিবার বাদ মাগরিব সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় বোনারপাড়া কাজী আজহার আলী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত হবে ।
এই নৃশংস হামলা হত্যাকান্ডের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন জামায়াত কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও জামায়াতের জেলা আমীর মো. আব্দুল করিম এমপি, বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আব্দুল ওয়ারেছ এমপি, অধ্যাপক মো. মাজেদুর রহমান এমপি, মাওলানা নজরুল ইসলাম লেবু এমপি, জেলা জামায়াতের ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি সৈয়দ রোকনুজ্জামান, জেলা সহকারী সেক্রেটারি ও গাইবান্ধা পৌর মেয়র প্রার্থী মো. ফয়সাল কবির রানাসহ জেলা জামায়াতের নেতৃবৃন্দ শোক সন্তপ্ত পরিবারের গভীর শোক ও সমবেদনা জানিয়েছেন। সেইসাথে এই নৃশংস হত্যাকান্ডে জড়িত আসামীদের দৃষ্টান্তমুলক শাস্তির দাবী জানান তারা।
নেতৃবৃন্দ বলেন, আমরা আমাদের নিবেদিত প্রাণ একজন কর্মীকে হারালাম। মহান আল্লাহ আমাদের ভাইয়ের পিতা-মাতা ও আত্মীয় পরিজনকে ধৈর্যধারন করার তৌফিক দিন, জীবনের নেক আমলগুলো কবুল করুন এবং গুনাহখাতা মাফ করে শহীদ হিসাবে জান্নাতুল ফেরদৌসের মেহমান হিসাবে কবুল করুন।
উল্লেখ্য, গাইবান্ধা সাঘাটা উপজেলার কচুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি নির্বাচন ও চাপের মুখে কমিটি দেওয়াকে কেন্দ্র করে অবরুদ্ধ প্রধান শিক্ষককে উদ্ধার করতে গিয়ে গত ২১ জুন বোনারপাড়া ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক মো. মোকলেছুর রহমান মুকুল, পলাশ এবং যুগ্ম আহ্বায়ক আশরাফের সরাসরি হামলায় ইতিপুর্বে বোনারপাড়া ইউনিয়ন ছাত্রশিবিরের সভাপতি মো. সাইফুল্লাহ বারী (২৪) নিহত হন।
