

নিলা,বাউফল ,(পটুয়খালী) প্রতিনিধিঃ
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার মদনপুরা ইউনিয়নের চন্দ্রপাড়া গ্রামে জাল দলিল তৈরি করে প্রতারণার মাধ্যমে হিন্দু সম্প্রদায়ের বসতবাড়ি ও জমি দখলের অভিযোগ আওয়ামীলীগের মকবুল হোসেন ওরফে মোহন চাপরাশীর বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।
এ মর্মে ভুক্তভোগী সুবল দাস গত ০২ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে পটুয়াখালী আমতলী বাউফল জেলা জজ আদালতে ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইনসহ জালিয়াতি ও প্রতারণার অভিযোগে মামলা দায়ের করেছেন। মামলা নম্বর সি.আর ৬৮০/২০২৫।
মামলার অভিযোগে প্রকাশিত, সুবল দাসের চাচাতো ভাই রাজেশ্বর দাস নিঃসন্তান অবস্থায় মারা গেলেও শ্যামল চন্দ্র ও ননী গোপাল নামে অস্তিত্বহীন দুইজনকে সন্তান দেখিয়ে মকবুল হোসেন ওরফে মোহন নিজের নামে জাল-জালিয়াতি মাধ্যমে দলিল করে। উক্ত দলিল ব্যবহার করে মকবুল বাউফল উপজেলার জে.এল নং ২৫, চন্দ্রপাড়া মৌজার এস.এ ৬০৭, ৬০৮ ও ৬০৯ খতিয়ানের রাজেশ্বর দাস এর মালিকানাধীন ৩৩.৮৮ শতাংশ জমি নিজের নামে নামজারী করেছেন।
এবিষয়ে অভিযোগকারী সুবল দাস বলেন, আওয়ামী ফ্যাসিস্টের দোসর মকবুল ওরফে মোহন তার ছেলে মহিউদ্দিন ওরফে সবুজ চাপরাশীর প্রভাবে বিগত ১৭ বছরে মদনপুরা ইউনিয়ন পরিষদ থেকে তিনি ওয়ারিশ সনদ নিতে পারেন নাই। সবুজ চাপরাশী আওয়ামী লীগের সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আবদুল মোতালেব হাওলাদার এর অত্যন্ত ঘনিষ্ঠজন।
আওয়ামী লীগ নেতা ও তৎকালীন উপজেলা চেয়ারম্যান মোতালেব হাওলাদার এবং নাজিরপুর-তাতেরকাঠী ইউপির তৎকালীন চেয়ারম্যান ইব্রাহীম ফারুকের সব ঠিকাদারী কাজ নামে বেনামে করতো এই সবুজ চাপরাশী। মদনপুরা ইউপি‘র প্যানেল চেয়ারম্যান-১ জাহিদ হাসান এর সার্বিক সহযোগীতায় সম্প্রতি ওয়ারিশ সনদ প্রাপ্ত হয়ে আদালতে জালিয়াতির মামলা করেন। আদালত অভিযোগ আমলে নিয়ে পিবিআইকে তদন্তের আদেশ দিয়েছেন।
আদালত মামলাটির গুরুত্ব বিবেচনায় পুলিশ সুপার, পিবিআইকে এ মামলায় তদন্ত করতে বলেন।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত মকবুল হোসেন তালুকদার ওরফে মোহন চাপরাশী বলেন, আমার নামে আনিত সমস্ত অভিযোগ মিথ্যা ও বানোয়াট। আমি সামাজিক লোক তাই আমাকে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য আমার নামে মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে মামলা দায়ের করেছে।
