

লিটন প্রধান নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
আজ ২৪ তাং রোজ রবি বার পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জে ৯ নং দেবীডুবা ইউনিয়নে তোফাজ্জল আছিয়া প্রধান প্রাথমিক চক্ষু চিকিৎসা কেন্দ্রে ডাঃ আল ইমরান এমবিবিএস (সেফ চক্ষু হাসপাতাল) চক্ষু রোগী দেখছেন, তিনি বলেন সপ্তাহে প্রত্যেক রবিবার আমি রোগী দেখব, আমাদের সেবা কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
০৯,০৫, ২০২৫ ইং উপজেলার দেবীডুবা ইউনিয়নের গালান্ডি বাজারের প্রধান সুপার মার্কেটে অবস্থিত এ চক্ষু সেবা কেন্দ্রের আনুষ্ঠানিক ভাবে কার্যক্রম শুরু করা হয়। জানা যায়, উপজেলার ৯ নং দেবীডুবা ইউনিয়নের গালান্ডি বাজারের মত গ্রামীন ও প্রত্যন্ত অঞ্চলের অবহেলিত মানুষের মাঝে চিকিৎসা সেবা প্রদানের লক্ষ্যে "তোফাজ্জল আছিয়া প্রধান চক্ষু চিকিৎসা কেন্দ্রটি" ডাঃ এ,বি,এম. আরফানুল আলম প্রধানের পরিচালনায় ২০১৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
প্রতিষ্ঠার পর থেকেই বিভিন্ন সময়ে গ্রামের গরীব, অসহায় ও দুস্থ চক্ষু রোগীদের বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা সেবা প্রদান করে আসছিল। চিকিৎসা সেবা আধুনিকায়ন এবং অভিজ্ঞ চিকিৎসক দ্বারা সেবা নিয়মিতকরন করার লক্ষ্যে আনুষ্ঠানিক ভাবে সেবা কার্যক্রমের যাত্রা শুরু করা হয়েছে।
চক্ষু চিকিৎসা কেন্দ্রটির সহকারি ভারপ্রাপ্ত পরিচালক মোঃ তারেক চৌধুরী লাহিম বলেন, অতীতের ন্যায় গরীব ও অসহায় রোগীদের বিনামূল্যে অভিজ্ঞ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দ্বারা চিকিৎসার জন্য শনিবার ব্যাতীত সপ্তাহে ছয়দিন চিকিৎসা কেন্দ্রটি চালু রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, উন্নত মানের আধুনিক যন্ত্রপাতি দ্বারা চক্ষু পরীক্ষা করে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা এবং স্বল্পমূল্যে চশমা দিতে আমরা বদ্ধ পরিকর। সেবা কার্যক্রম পরিচালনার জন্য সর্বসাধারণের সর্বাত্মক সহযোগিতা কামনা করছি"। চিকিৎসা সেবা নিতে আসা তরিকুল ইসলাম ও সুচিত্রা নামে রোগীরা বলেন, বাড়ির পাশে এরকম গ্রামে দিনাজপুর সেফ চক্ষু হাসপাতালের অভিজ্ঞ ডাক্তার দ্বারা বিনামূল্যে চিকিৎসা নিতে পেরে খুব ভাল লাগছে।
প্রতিষ্ঠানটির পৃষ্ঠপোষক সমাজসেবক, মানবাধিকার কর্মী ও সাংবাদিক এ,বি,এম আশাদুল আলম প্রধান (লিটন) বলেন, আমার বাবা মরহুম তোফাজ্জল আলম প্রধানের স্বপ্ন পূরনের জন্যই আমার ছোট ভাই আরফান প্রধানের পরিচালনায় এই চিকিৎসা সেবা কেন্দ্রটি প্রতিষ্ঠা করা হয়। প্রতিষ্ঠানটির পাশাপাশি ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের জন্য তোফাজ্জল আছিয়া রাফিয়া জামে মসজিদও প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।
উল্লেখ্য যে, প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠা পরিচালক ডাঃ এ,বি, এম আরফানুল আলম প্রধান (দৃষ্টি শক্তি বিশেষজ্ঞ) বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে আর্মি মেডিক্যাল কোরে কর্মরত ছিলেন।
