

সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার:
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর পাশের দেশ ভারতের গণতন্ত্রের উদাহরণ দিয়ে বলেছেন, পাশের দেশ ভারতের দিকেই তাকিয়ে দেখেন। তাদের অনেক সমস্যা, তাদের সমস্যা শেষ নেই। তারপরও তাদের গণতন্ত্র টিকে গেছে। কিজন্যে?তাদের গণতন্ত্র টিকে গেছে কারণ তাদের গণতন্ত্র প্রশাসন, বিচার বিভাগ, মিডিয়া সহ যে প্রতিষ্ঠানগুলোর উপর নির্ভরশীল সে প্রতিষ্ঠানগুলো যথেষ্ট শক্তিশালী।
রোববার(০২রা আগস্ট) দুপুরে ঠাকুরগাঁও জেলা আইনজীবী সমিতি প্রাঙ্গণে একটি সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
মির্জা আলমগীর বলেন, আমি স্পষ্ট করে একটি কথা বলতে চাই যে, বাংলাদেশের ব্যাপারটা এত সহজ নয়। এখানে ২০ কোটি জনগণের বসবাস। আমরা মাত্র ৫৪ হাজার বর্গমাইল এর একটি এলাকায় বসবাস করি। এখানে দারিদ্রতা একটি বড় সমস্যা। ঠাকুরগাঁও সহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে তেমন কোন উন্নত কল কারখানা নেই। আমরা এসব অঞ্চলে কৃষি-বেইজ কলকারখানা স্থাপন করতে চাই।
আমি স্পষ্ট করে একটি কথা বলতে চাই যে, বাংলাদেশের ব্যাপারটা এত সহজ নয়। এখানে ২০কোটি জনগণের বসবাস। আমরা মাত্র ৫৪ হাজার বর্গমাইল এর একটি এলাকায় বসবাস করি। এখানে দারিদ্রতা একটি বড় সমস্যা। ঠাকুরগাঁও সহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে তেমন কোন উন্নত কল কারখানা নেই। আমরা এসব অঞ্চলে কৃষি-বেইজ কলকারখানা স্থাপন করতে চাই।
তিনি আরো বলেন,গণতন্ত্র যদি চলে, গণতন্ত্র প্র্যাকটিস হয়, তাহলে আর বাদবাকি সব সমস্যার সমাধান হবে। আমরা যদি ন্যায় বিচারের জন্য প্রভাবমুক্ত একটি জুডিশিয়ারি তৈরি করতে পারি তাহলে দেশের মানুষ উপকৃত হবে। আমরা আমাদের প্রশাসনকে যদি যোগ্য প্রশাসন হিসেবে গড়ে তুলতে পারি তাহলে রাষ্ট্র উপকৃত হবে। সমস্যা আছে অনেক, সমস্যা থাকবেই, বিরোধিতা থাকবেই। এর মাঝেও যদি আমরা আমাদের দেশের সকল প্রতিষ্ঠানগুলোকে শক্তিশালী করে তুলতে পারি তাহলে সব সমস্যার সমাধান হবে।
এর আগে সকালে ঠাকুরগাও ডায়বেটিক সমিতি আয়োজিত নেপালের সহায়তায় ঠাকুরগাও আই ক্যাম্পের উদ্বোধনি অনুষ্ঠানে যোগ দেন তিনি। সেখানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মির্জা আলমগীর বলেন, বাংলাদেশে নেপালের এ আই ক্যাস্প এর মধ্য দিয়ে দু দেশের মধ্যে পারস্পরিক সম্প্রীতির পরিবেশ বৃদ্ধি পাবে। উত্তরের জেলা ঠাকুরগাঁও, নেপাল সীমান্তবর্তী পর্যটনের একটি অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি হবে।
ঠাকুরগাও ডায়াবেটিক এসোসিয়েশন এর সভাপতি ড. আবু মো: খায়রুল কবিরের সভাপতিত্বে এসময় গেস্ট অব অনার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, নেপাল দূতাবাস, বাংলাদেশের উপ-মিশন প্রধান প্রতিক কারকি, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নেপাল নেত্র জ্যোতি সংঘ্যের অধ্যাপক ড. চ্যাথ রাজ পান্ত, বিরাটনগর আই হাসপাতালের সভাপতি পদ্ম নারায়ন চৌধুরি। ঠাকুরগাঁও জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডঃ ইউসুফ আলী, সাধারণ সম্পাদক অ্যাডঃ শেখ ফরিদ সহ আরো অনেকে।
