

জাহিদ হাসান রাতুল, নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
ঢাকা আগামী জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে রাজধানী ঢাকার গুরুত্বপূর্ণ সংসদীয় আসন ঢাকা-১১ (বাড্ডা, ভাটারা ও রামপুরার একাংশ) এলাকায় বইতে শুরু করেছে নির্বাচনী হাওয়া। রাজধানীর অন্যতম এই প্রবেশপথ ও বাণিজ্যিক এলাকায় নিজেদের অবস্থান শক্ত করতে বড় দলগুলোর পাশাপাশি নতুন জোটগুলোও ঘুঁটি চালতে শুরু করেছে।
মাঠে সক্রিয় প্রধান দলগুলো দীর্ঘ সময় এই আসনটি আওয়ামী লীগের দখলে থাকলেও পরিবর্তিত রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে এখন চিত্র ভিন্ন।
বিএনপি: দীর্ঘ বিরতির পর এলাকায় প্রকাশ্যে সক্রিয় হয়েছেন বিএনপির নেতাকর্মীরা। তারা মূলত ‘সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ’ নির্বাচনের দাবিতে অনড় থাকলেও ভেতরে ভেতরে নির্বাচনী প্রস্তুতির কাজ গুছিয়ে রাখছেন। আসনটিতে বিএনপির একাধিক প্রভাবশালী নেতা মনোনয়ন প্রত্যাশী, যারা এরই মধ্যে ঘরোয়া বৈঠক ও গণসংযোগ বৃদ্ধি করেছেন।
জামায়াতে ইসলামী: বাড্ডা ও ভাটারা এলাকায় জামায়াতে ইসলামীর একটি শক্তিশালী সাংগঠনিক ভিত্তি রয়েছে। তারা এককভাবে নাকি জোটবদ্ধভাবে নির্বাচন করবে, তার ওপর এই আসনের ফলাফল অনেকটাই নির্ভর করবে। নির্বাচনী এলাকার মূল চ্যালেঞ্জসমূহ ঢাকা-১১ আসনের ভোটারদের মাঝে কয়েকটি দীর্ঘস্থায়ী সমস্যা নিয়ে আলোচনা তুঙ্গে: * জলাবদ্ধতা ও ড্রেনেজ: বর্ষা মৌসুমে ডিআইটি প্রজেক্ট এবং বাড্ডার নিচু এলাকায় জলাবদ্ধতা ভোটারদের প্রধান ক্ষোভের কারণ।
যানজট: প্রগতি সরণি ও রামপুরা ব্রিজের যানজট নিরসনে নতুন কোনো মহাপরিকল্পনা প্রার্থীরা দেবেন কি না, সেদিকে তাকিয়ে আছেন সাধারণ মানুষ।
আবাসন ও দখলদারিত্ব: ভাটারা ও বাড্ডা এলাকায় জমি সংক্রান্ত বিরোধ ও প্রভাবশালীদের দখলদারিত্ব বন্ধের প্রতিশ্রুতি চাইছেন সাধারণ ভোটাররা। ভোটারদের ভাবনা সাধারণ ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, তারা কেবল আশ্বাস নয়, বরং এলাকার অবকাঠামোগত উন্নয়নে স্বচ্ছতার সাথে কাজ করবেন এমন প্রার্থীকেই বেছে নিতে চান।
বিশেষ করে তরুণ ভোটারদের বড় অংশ ‘ক্লিন ইমেজ’ ও শিক্ষিত প্রার্থীদের দিকে ঝুঁকছেন। উপসংহার: ঢাকা-১১ আসনে ভোটের সমীকরণ বরাবরের মতোই জটিল। তবে এবার উন্নয়ন ও স্বচ্ছতাই হবে মূল ফ্যাক্টর—এমনটাই মনে করছেন
