

ইসলাম ডেস্ক:
কেয়ামতের আগে যারা মারা যায়, মৃত্যুর পরপরই তাদের ওপর ছোট কেয়ামত বা বারযাখী জীবন শুরু হয়। দাফনের পর মুনকার ও নাকির ফেরেশতাদ্বয় ঈমানদারদের প্রশ্নের সঠিক উত্তর দিলে তাদের কবরে শান্তির ব্যবস্থা করা হয়। পাপীদের ক্ষেত্রে কবরের আযাব বা শাস্তি শুরু হয়, যা কেয়ামত পর্যন্ত চলতে থাকে।
কবরে মুনকার ও নাকির ফেরেশতা রব্ব, দ্বীন ও নবী (সা.) সম্পর্কে প্রশ্ন করবেন, যার উত্তর দেওয়ার সামর্থ্য ঈমানদাররা পাবেন।
মৃত্যুর পর থেকে কেয়ামত পর্যন্ত সময়কে বারযাখ বা অন্তর্বর্তীকালীন জীবন বলা হয়, যেখানে মৃতরা তাদের ঠিকানা (জান্নাত বা জাহান্নাম) প্রতিদিন সকালে ও বিকেলে দেখতে পান।
অবিশ্বাসী ও পাপীদের জন্য কবর শাস্তির স্থানে পরিণত হয়, যা তাদের পাপের পরিমাণ অনুযায়ী ভিন্ন ভিন্ন হতে পারে।
বিশেষ কিছু পরিস্থিতিতে, যেমন- শহীদ বা আল্লাহর পথে নিহতদের, জুমার দিনে বা রাতে মৃত্যুবরণকারীদের কবরের সওয়াল-জওয়াব বা শাস্তি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হতে পারে।
সবশেষে, দাফন না হলেও, রূহ বা আত্মা অক্ষয় থাকে এবং তাদের ওপরও এই হিসাব প্রযোজ্য হয়
