ঢাকা
৪ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
সকাল ৬:৪২
প্রকাশিত : জানুয়ারি ২২, ২০২৬
আপডেট: জানুয়ারি ২২, ২০২৬
প্রকাশিত : জানুয়ারি ২২, ২০২৬

রাসুল সাঃ এর ইমামতি কেমন ছিল ?

ইসলাম ডেস্ক:

রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর ইমামতি ছিল বিনয়, একাগ্রতা এবং মুসল্লিদের প্রতি দয়ার এক অনন্য সমন্বয়। তাঁর ইমামতির প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলো নিচে দেওয়া হলো:

১. নামাজে ধীরস্থিরতা: তিনি অত্যন্ত ধীরস্থিরভাবে নামাজ পড়াতেন। রুকু, সিজদা এবং দাঁড়ানো—প্রতিটি রুকন তিনি পূর্ণ প্রশান্তির সাথে আদায় করতেন। সহীহ বুখারী ও সহীহ মুসলিমের বর্ণনা অনুযায়ী, তাঁর রুকু ও সিজদার সময়কাল ছিল প্রায় সমান।

২. মুসল্লিদের অবস্থার প্রতি খেয়াল রাখা: তিনি জামাতে নামাজ সংক্ষিপ্ত করার নির্দেশ দিতেন যাতে বৃদ্ধ, অসুস্থ বা ব্যস্ত মানুষের কষ্ট না হয়। তিনি বলতেন, "তোমাদের কেউ যখন মানুষের ইমামতি করে, সে যেন নামাজ সংক্ষেপ করে।" (সহীহ বুখারী: ৭০৩)। 

৩. শিশুদের প্রতি মমতা: নামাজরত অবস্থায় কোনো শিশুর কান্নার আওয়াজ শুনলে তিনি নামাজ সংক্ষিপ্ত করে ফেলতেন, যাতে শিশুটির মায়ের কষ্ট না হয়।

৪. কুরআন তিলাওয়াতের মাধুর্য: তাঁর তিলাওয়াত ছিল অত্যন্ত স্পষ্ট এবং সুমধুর। তিনি প্রতিটি আয়াত আলাদা আলাদা করে পড়তেন (তারতীল)। ফজরের নামাজে তিনি তুলনামূলক দীর্ঘ কিরাত পড়তেন, আবার সফর বা বিশেষ প্রয়োজনে ছোট সূরা পড়তেন।

৫. কাতার সোজা করা: নামাজ শুরুর আগে তিনি নিজে মুসল্লিদের দিকে ফিরে তাকাতেন এবং কাতার সোজা করার নির্দেশ দিতেন। তিনি বলতেন, "তোমরা কাতার সোজা করো, কারণ কাতার সোজা করা নামাজ পূর্ণাঙ্গ হওয়ার অংশ।" 

৬. খুশু-খুযু বা একাগ্রতা: নামাজের সময় আল্লাহর ভয়ে তাঁর অন্তর বিগলিত থাকতো। অনেক সময় তাঁর কান্নার আওয়াজ উত্তপ্ত ডেগচির টগবগ শব্দের মতো শোনা যেত।

সর্বশেষ
প্রকাশক ও সম্পাদক - সিকদার সাদেকুর রহমান
বার্তা সম্পাদক- জাহিদুল হাসান জাহিদ
কার্যালয়ঃ ৪ দারুসসালাম রোড, মিরপুর, ঢাকা।
aazkaalbangla@gmail.com
মোবাইলঃ +8801842280000
আজকাল বাংলা কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। অনুমতি ছাড়া এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি ও বিষয়বস্তু অন্য কোথাও প্রকাশ করা বে-আইনী।
Copyright © 2021-2025 AjkalBangla.Com All Rights Reserved.
Host by
linkedin facebook pinterest youtube rss twitter instagram facebook-blank rss-blank linkedin-blank pinterest youtube twitter instagram