ঢাকা
৪ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
সকাল ৬:৪২
প্রকাশিত : জানুয়ারি ২৪, ২০২৬
আপডেট: জানুয়ারি ২৪, ২০২৬
প্রকাশিত : জানুয়ারি ২৪, ২০২৬

আদানি পাওয়ারের সর্ববৃহৎ দেশীয় বন্ড ইস্যুতে ব্যাপক সাড়া

২৪ জানুয়ারি (ঢাকা): ভারতের শীর্ষস্থানীয় একাধিক প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীর অংশগ্রহণে নন-কনভার্টিবল ডিবেঞ্চার (এনসিডি) ইস্যুর মাধ্যমে প্রায় ৮৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (১০ হাজার কোটি) টাকা তুলেছে আদানি পাওয়ার। বিষয়টি সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো এ তথ্য জানিয়েছে।
এই ইস্যুতে আইসিআইসিআই, অ্যাক্সিস, কোটাক, নিপ্পন, টাটা ও ইনভেস্কোর মতো বড় বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান অংশ নেয়। মিউচুয়াল ফান্ড, ব্যাংক, বীমা কোম্পানি ও অন্যান্য দেশীয় আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সমন্বয়ে মোট ১৭টি প্রতিষ্ঠান এই বন্ড ইস্যুতে বিনিয়োগ করেছে। সূত্র জানায়, মোট বিনিয়োগের বড় অংশ এসেছে মিউচুয়াল ফান্ডগুলোর কাছ থেকে।
বিনিয়োগের হিসাবে এসবিআই মিউচুয়াল ফান্ড দিয়েছে প্রায় ২৭৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার । আইসিআইসিআই ব্যাংক বিনিয়োগ করেছে ১২০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার এবং অ্যাক্সিস ব্যাংক দিয়েছে ১১০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। কোটাক মিউচুয়াল ফান্ড ও আইসিআইসিআই মিউচুয়াল ফান্ড প্রত্যেকে প্রায় ৫৫ থেকে ৬৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার করে বিনিয়োগের অঙ্গীকার করেছে।
এনসিডি ইস্যু থেকে পাওয়া অর্থ বিদ্যমান ঋণ পুনঃঅর্থায়ন এবং সাধারণ করপোরেট কাজে ব্যবহার করা হবে বলে জানা গেছে।
অংশগ্রহণকারীদের মতে, আদানি পাওয়ারের শক্তিশালী ও ধারাবাহিক নগদ প্রবাহ বিনিয়োগকারীদের আস্থা বাড়িয়েছে। কোম্পানিটির প্রায় ৯০ শতাংশ উৎপাদন সক্ষমতা দীর্ঘমেয়াদি বিদ্যুৎ ক্রয় চুক্তির (পিপিএ) আওতায় রয়েছে, যা আয় ও রাজস্বে স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করে।পাশাপাশি জ্বালানি সংগ্রহ ব্যবস্থার উন্নয়ন, দক্ষ লজিস্টিক ব্যবস্থাপনা এবং উৎপাদন সক্ষমতার ধারাবাহিক ব্যবহার নগদ অর্থ সৃষ্টিকে আরও শক্তিশালী করেছে।
ভারতের সবচেয়ে বড় বেসরকারি তাপবিদ্যুৎ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান আদানি পাওয়ার বর্তমানে প্রায় ১৮ গিগাওয়াট উৎপাদন সক্ষমতা পরিচালনা করছে। প্রতিষ্ঠানটি ২০৩২ অর্থবছরের মধ্যে এই সক্ষমতা বাড়িয়ে ৪২ গিগাওয়াটে নেওয়ার পরিকল্পনা করেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, উৎপাদন সক্ষমতা দ্রুত দীর্ঘমেয়াদি বিদ্যুৎ ক্রয় চুক্তিতে (পিপিএ) অন্তর্ভুক্ত করা এবং তুলনামূলকভাবে কম ঋণভার—এই দুটি বিষয় আদানি পাওয়ারের প্রধান ইতিবাচক দিক। আগামী পাঁচ বছরে কোম্পানিটির পরিচালন মুনাফা তিন গুণেরও বেশি বাড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সক্ষমতা বৃদ্ধি ও দক্ষতা উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় ২০৩০ অর্থবছরের মধ্যে EBITDA বর্তমান প্রায় ২.৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার থেকে বেড়ে প্রায় ৮.৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছাতে পারে বলে অনুমান করছে বিশ্লেষকেরা।
এর আগে আন্তর্জাতিক রেটিং সংস্থা Moody's ও Fitch আদানি গ্রুপের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সার্বিক অবস্থা ‘স্থিতিশীল’-এ উন্নীত করে। যুক্তরাষ্ট্রে চলমান তদন্তের কারণে স্বল্পমেয়াদে বড় কোনো নেতিবাচক প্রভাব পড়বে না—এমন মূল্যায়নের ভিত্তিতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

সর্বশেষ
প্রকাশক ও সম্পাদক - সিকদার সাদেকুর রহমান
বার্তা সম্পাদক- জাহিদুল হাসান জাহিদ
কার্যালয়ঃ ৪ দারুসসালাম রোড, মিরপুর, ঢাকা।
aazkaalbangla@gmail.com
মোবাইলঃ +8801842280000
আজকাল বাংলা কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। অনুমতি ছাড়া এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি ও বিষয়বস্তু অন্য কোথাও প্রকাশ করা বে-আইনী।
Copyright © 2021-2025 AjkalBangla.Com All Rights Reserved.
Host by
linkedin facebook pinterest youtube rss twitter instagram facebook-blank rss-blank linkedin-blank pinterest youtube twitter instagram