

ম.ম.রবি ডাকুয়া,বাগেরহাট:
বাগেরহাটে রমজানে নিত্য প্রয়োজনীয় পন্যের দাম নিয়ন্ত্রণে বাজার পরিদর্শন করেছেন জেলা প্রশাসক গোলাম মো: বাতেন। সোমবার বিকেলে তিনি বাগেরহাট শহরের প্রধান মাছ, গোশত, সবজি, চাল ও ফলের বাজার পরিদর্শণ করেন।
এসময় তিনি বিভিন্ন পন্যের ক্রয় ভাউচার ও বিক্রি মূল্য পরীক্ষা করেন। সেই সাথে চাল, ডাল, তেল, মসল্লা, সবজি, খেজুর, তরমুজ, আগুর, লেবুসহ বিভিন্ন ফল ও নানা ধরণের পণ্যের ভাল-মন্দ মান যাচাই করেন। পরে ৭২০ টাকা কেজি মূল্যে গরুর গোশত, ২২০ টাকায় বয়লার, ৩৩০ টাকা কেজিতে সোনালী মুরগি বিক্রির নির্দেশ দেন। এছাড়া বেগুন, কুমড়া, লাউ, করলা, পুইশাকসহ বিভিন্ন সবজি ন্যায্য মূল্যে বিক্রির আহবান জানান ব্যবসায়ীদের।
এসময়, বাগেরহাটের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্টেট মেজবাহ উদ্দীন, সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট তড়িৎ চন্দ্র শীল, সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ মোত্তালেব হোসেন, সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মির্জা গোলাম সাবুরু, ক্যাব বাগেরহাটের সভাপতি বাবুল সরদার, সহ-সভাপতি মো: কামরুজ্জামান, জেলা শিশু বিষয়ক কর্মকর্তা শেখ আসাদুর রহমান, বাগেরহাট পৌর সভার সেনেটারী ইন্সপেক্টর এস.এম বাদল, বাগেরহাট চেম্বার অব কমার্সের সচিব নূরুল আলম পিন্টু, ব্যবসায়ী নেতা আসলাম মোল্লাসহ ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ ও আইন শৃংখলা বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে জেলা প্রশাসকের বাজার পরিদর্শনের খবর পেয়ে বেশকিছু দোকানদার ও গোশতের ব্যবসায়ীরা দোকান ফেলে গা ঢাকা দেয়। ভবিষ্যতে এসব ব্যবসায়ীদের বিষয়ে খোজ খবর নিয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশন দেন জেলা প্রশাসক গোলাম মো: বাতেন।
জেলা প্রশাসক বলেন, রমজান আসলেই কতিপয় অসাধু ব্যবসায়ী অতিরিক্ত মুনাফা লাভের জন্য নিত্য প্রয়োজনীয় পন্যের দাম বাড়িয়ে দেন। যা এক ধরণের অপরাধ। অসাধু ব্যবসায়ীদের দৌরত্ব রোধ করতে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিয়মিত বাজার মনিটরিং ও ভ্রাম্যমান আদালতও পরিচালনা করা হয়। বাজার পরিদর্শন করে যেসব পন্যের দামের সাথে অসঙ্গতি ছিল, সেসব ব্যবসায়ীদের সতর্ক এবং সরকার নির্ধারিত মূল্যে বিক্রি ও পণ্যের গুণগতমান বজায় রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতেও এ ধরণের বাজার মনিটরিং ও ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি।
